জীবের অস্তিত্ব রচনা করার জন্য সবচেয়ে সুন্দরতম কার্যকারী ছিল DNA। ডি.এন.এর ভিতরই মজুদ আছে জীবের গঠন কোড।

আমাদের পৃথিবী তৈরী হওয়া মাত্র সাত লক্ষ সাল পূর্বে পৃথিবীপর জীব তৈরি হয় গেছে।
সেই সম্পর্কে আমরা কী জানি —
ছোট্ট সেই জীব হল ব্যাকটেরিয়া।
ব্যাকটেরিয়া জীবানু দুনিয়ায় উপর কয়েক লক্ষ বছর রাজ করে।ব্যাকটেরিয়া ছোট হলেও ব্যাকটেরিয়া ছিল নতুন কিছু তৈরি সম্ভবনাই ভরপুর।

যে কোন অবস্থা নতুন নতুন রুপে পরিবর্তীত হয়ে নতুন নতুন জীব উৎপত্তি লাভ করে।এরইমধ্যে কিছু ব্যাকটেরিয়া অক্সিজেনের সাহায্যে নিয়ে বাঁচত শুরু করে।
পরবর্তী দুইশত লক্ষ বছর পার হয়ে গেছে। জীব আরো জটিল ধারণ করে। আসমান নীল আকার ধারণ করে ও ঐ জন্য মহাসাগরকে নীল দেখায়।
এক পর্যায় কন্টেন্যান্স এর সাহায্য বড় বড় মহাদেশ হতে শুরু করে।তখনো জীব গুলো সমুদ্র তলে সীমাবদ্ধ ছিল।
কিন্তু এখন সকলকিছু পরিবর্তন হতে শুরু করেছে।সর্বপ্রথম পৃথিবীপৃষ্ঠে গাছ পালা বৃদ্ধি হতে শুরু করে।
এরি ধারাবাহিকতা জীব সমুদ্রের ভিতর থেকে পৃথিবীপৃষ্ঠে উঠে আসে এবং অক্সিজেনের সাহায্যে শ্বাস নিতে শুরু করে।গাছপালা থেকে খাদ্য খেয়ে জীবন ধারত করতে লাগে।

এতখনে পৃথিবীপৃষ্ঠে সত্তুর প্রজাতির জীব জন্মে গেছে।
কিন্তু নাইট্রোজেন বৃদ্ধির ফলে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে যায় শুরু হয় নতুন বিস্ফোরণ।
বিস্ফোরণের ফলে সকল প্রজাতির প্রানী মারা যায়।
এর পাঁচ লক্ষ বছর পর জন্ম হয় নতুন প্রজাতির প্রাণী ডাইনোসর।পুরো পৃথিবীজুড়ে ডাইনোসর রাজ করে।
ডাইনোসরের জন্মের প্রথম দিকে পুরো জমিন একসাথে ছিল কিন্তু তার পরে আলাদা হতে শুরু করে তখনি আফ্রিকা থেকে দখিন আমেরিকা আলাদা হতে শুরু করে।
জন্ম হয় অ্যাট্লার্ন্টিক মহাসাগরের।
ডাইনোসরের সময় আরো অনেক ছোট্ট প্রানি ছিল কিন্ত তারা ডাইনোসরের সাথে যুদ্ধে টিকে থাকতে পরে নাই।
তখনই বাজি পালতে লাগল।
সাড়ে ছয় হাজার বছর পূর্বে প্রায় ১০কি.মি বড় জিনিস পৃথিবীকে আবারো বিধ্বস্ত করে যেটাকে এস্টোনয়েট বলে।ধুলা ও প্লাবনে চাপের মুখে সুর্য আলো বন্ধ হয়ে পড়ে।
এক পর্যয় সকল বড় প্রানী মারা যায়। ডাইনোসরের যুগ শেষ হয়ে যায়।

তার পর বিভিন্ন জীবের জন্ম হয়। মানুষ ধাঁরাবাহিক ভাবে শিকার করা, খাদ্য সংগ্রহ, হাতিয়ার তৈরি, খাদ্য উৎপাদন,আগুন নিয়ন্ত্রণ করা
এবং ধীরে ধীরে সভ্য ও ঞ্জানী হতে শুরু করে।
পুরো ভ্রমন্ডে পৃথিবীতে একমাত্র খাস শক্তি ছিল আগুন যার সাহায্য আমরা প্রযুক্তি তৈরির দিকে ধাবিত হতে পারি।
কারন আগুন ব্যাতিত কোন যন্ত তৈরি করা সম্ভব পর নয়।
এক পর্যয় মানুষ কথা বলতে শুরু করে এবং ভাষার মাধ্যমে যোগাযোগ তৈরি করে।
মানুষ ধাঁরাবাহিক ভাবে শিকার করা ও খাদ্য সংগ্রহের তাগিদে পুরো পৃথিবীতে পদচারণা শুরু করে।
পৃথিবীর এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার সময় চিহ্ন দিয়ে রাখে যাতে পরবর্তীতে ফিরে যেতে ভুল না হয়।
তার কয়েক বছর পর আবার মহাসাগরের স্তর বৃদ্ধি পায়। বর্তমান যে ম্যাপ দেখি এটাই মহাসাগরের স্তর বৃদ্ধি ফল এবং মানুষ দুই ভাগে ভাগ হয় পড়ে।
সমগ্র পৃথিবীতে নদী তৈরি হতে শুরু করে যেমন মিশরে নীল নদ, ইউরেশিয়ায় দ্বিতীয় নদী তৈরি হয়।মেসোপোটেমিয়ায় টাইগ্রিস নদী, পাকিস্তানে ইন্দাচ নদী
চায়নাই ইয়েলো ইয়াংছি নদী।
তার পর মানুষ স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে শুরু করে। বসতি স্থাপন করে। পরিবার তৈরি করে। বসতির পাশে চাষ করতে শিখে ফেলে। ফসল উৎপাদন করে।
প্রকৃতিক পতঙ্গ পরাগায়ন করে। খাদ্যের সমস্যা দুর করে পশুকে পোশ মানাতে শিখে নেয়।
তারকিছুদিন পর মানুষ পন্য সামগ্রিই ক্রয়-বিক্রয় শুরু করে। কিন্তু তখনো সংখ্যা আবিস্কার হয় নি। হিসাব ঠিক রাখার প্রয়োজনে সংখ্যা আবিস্কার হলো।

মানুষ সভ্যতা গড়তে শুরু করলো।তার পর ধর্ম পালন করা শুরু হলো।
তারপর এক এক করে চাকা,ইন্জিন,বায়োইন্জিন ইত্যাদি আবিস্কার হতে শুরু করে।

তারপরে চাকার গাড়ি, ইন্জিনচালিত নৌকা, বায়োইন্জিন প্লেন, উড়োজাহাজ, বিভিন্ন ফ্যাক্টারি তৈরির বিপ্লব ঘটলো।
দুরবিন, টেলিফোন এবং আধুনিক আস্ত্র তৈরি হলো।
