গাড়ি মালামাল পরিবহন ও মানুষের যাতায়াতের প্রধান বাহন ও গোটা বিশ্বে গাড়ি পরিচিত একটি নাম।প্রতিটা মানুষের গাড়ি-বাড়ির স্বপ্ন রয়েছে। বর্তমানে বাজারে নানান কোম্পানির নতুন ডিজাইনে নতুন নতুন মডেলের গাড়ি রয়েছে।স্বপ্ন পুরণ করার জন্য ব্যাক্তি গত ভাবে বাজেট ফ্রেন্ডলি গাড়ি ক্রয় করে থাকে।
So তাই সকলের গাড়ি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা রাখা অত্যাবশ্যক। আজকে আমার জানবো,গাড়ি কত প্রকার, কী? কী? ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত
গাড়ি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা…
-
চলুন আর দেরি না করে গাড়ি সম্পর্কে ধারণা নিয়ে রাখি।
গাড়ি প্রধানত ১০ প্রকার হয়ে থাকে।
- স্পোর্টস(Sports Car )
- ক্রসওভার(Crossover Car )
- মিনিভ্যান(minivan Car)
- এমপিভি বা এমইউভি(Mpv Car)
- এসইউভি বা এসএভি( SUV Car)
- অফরোডার(off-road car)
- কমার্শিয়াল(Commercial Car)
- সেডান(SidonCar)
- কনভার্টিবল(Convartebol Car)
- হ্যাচব্যাক(hatchback Car ইত্যাদি।
so এখন আমার বিশ্বে সবচেয়ে বেশি ব্যাবহারিত গাড়ি সম্পর্কে জানবো
নম্বর ১ সেডান গাড়ি :
পৃথিবী জুড়ে রাস্তায় চলাচল করা সাচ্ছান্দ্য বোধক ব্যক্তিগত গাড়ির মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় গাড়ি হলো সেডান কার।

সেডান কার বলতে আপনি সাধারণত সেই সকল ধরণের গাড়িকে ধরে নিতে পারেন, than যেসকল গাড়ির ইঞ্জিন সামনে থাকে, বসবার জন্য দুই সারি আসন থাকে এবং মালামাল বহন করার জন্য গাড়ির পেছনের অংশে আলাদা করে নিদিষ্ট জায়গা রাখা থাকে। এসব গাড়িতে পেছনের গ্লাসটি সিটের কাছাকাছি মিলিত হয়।এরপরের অংশে আলাদাভাবে মালামাল বহন করা যায়। ১৯১২ সালে প্রথম এই শব্দ গাড়ির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সেডান কারের আরেকটি নাম হলো সেলুন কার। পৃথিবী জুড়ে জনপ্রিয় সেডান গাড়ির মধ্যে টয়োটা প্রিমিও, অ্যালিয়ন, অ্যাক্সিউ, মিতসুবিশি ল্যান্সার, অ্যাট্রেজ, হোন্ডা গ্রেস, সিভিক, অ্যাকর্ড এবং নিশান ব্লুবার্ড উল্লেখযোগ্য।
নম্বর ২ স্পোর্টস কারঃ
স্পোর্টস কার সেডান গাড়ির মতো দেখতে হলেও পার্থক্য অনেক। এই গাড়িগুলো সাধারণত নিচু ধরনের হয়ে থাকে। স্পোর্টস কারের চাকাগুলোর সঙ্গে গাড়ির শরীর লেগে থাকে। গাড়ির পেছনে বুটের ওপরে স্পয়লার লাগানো থাকে। বাতাসকে কাটিয়ে অতি দ্রুতই গতি তুলতে সাহায্য করে থাকে এবং গাড়িকে মাটির সঙ্গে সেঁটে ধরতে স্পয়লার ব্যবহৃত হয়।
সাধারণত স্পোর্টস কার হাল্কা করে তৈরী করা হয়। আসন সংখ্যা খুবই কম করা হয় সাধারণত Generally দুই আসনবিশিষ্ট করা হয়ে থাকে। টয়োটা ৮৬, সেলিকা, এমআর২সহ জনপ্রিয় বেশ কয়েকটি স্পোর্টস কার দেখা যায়।
নম্বর ৩ অফরোডার কার :
পাহাড়ি রাস্তা, উচু নিচু, কর্দমাক্ত এবং পিচ্ছিল পথ কিংবা অল্প পানিতেও যে গাড়ি দাপটের সঙ্গে পাড়ি দেয়, than সেই সব গাড়িকে অফরোডার বলে।
অফরোডা গাড়ি খুবই মজবুত শক্তি শালি আর ওয়েট ফুল। অফরোডার গাড়ির মূল বৈশিষ্ট্য হলো চাকা। খাঁজকাটা এবং মাটি আঁকড়ে ধরার মতো চাকা থাকে এই গাড়িতে। so তার সঙ্গে রয়েছে ফোর হুইলার। এতে চারটি চাকা সমান শক্তিতে গাড়িকে এগিয়ে নিতে পারে। ইউরোপ মহাদেশে এই সকল গাড়ি বেশি দেখা যায়। টয়োটা ল্যান্ড ক্রুজার, ল্যান্ড রোভার, নিশান পেট্রোল এই ক্যাটাগরির অন্যতম গাড়ি।
কমার্শিয়ালঃ
Than যেসব গাড়ি শুধু বেশি যাত্রী বহনের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেই সব গাড়ি কমার্শিয়াল বা বাণিজ্যিক গাড়ি হিসেবে পরিচিত। ১০ থেকে ১২ জন পর্যন্ত যাত্রী এই গাড়িতে বহন করা যায়। এই গাড়িগুলো মিনিভ্যান ধরনের গাড়ির চেয়ে লম্বা হয়ে থাকে। গাড়ির ইঞ্জিন রাখার জায়গা বেশ ছোট হয়। করপোরেট জগতে বা বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার জন্য এ ধরনের গাড়ি বেশি ব্যবহৃত হয়। টয়োটা হাইয়েস এই ক্যাটাগরির গাড়িতে অন্যতম।
কনভার্টিবল
গাড়ি বলতেই সাধারণত আমরা নির্দিষ্ট ছাদের একটি যানবাহনকে বুঝি। কিন্তু গাড়ি যদি এমন হয়, চাইলেই মাথার ওপর আকাশ দেখা বা খোলামেলা চালানোর সুযোগ থাকে। যেখানে মাঝখানে কোনো বাধা থাকবে না।
so এ ধরনের গাড়িগুলোকে কনভার্টিবল গাড়ি বলে। এতে ছাদটিকে ফোল্ড করে গাড়ির পেছনের অংশে স্তূপ করে রাখা যায়। বৃষ্টি বা অধিক গরমে ভাঁজ করা যায় (ফোল্ডেবল) ছাদটি দিয়ে গাড়ি ঢেকে শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র চালানোর সুযোগ এ গাড়িতে মেলে। বিএমডব্লিউ আইএইট, টয়োটা এমআরএস, হোন্ডা এস৬৬০সহ এই ক্যাটাগরিতে বেশ কয়েকটি গাড়ি রয়েছে।
ইতিমধ্যে বুঝে গেছেন গাড়ি অনেক এক্সপেন্সিব। so গাড়িগুলো যদিও অনেক ব্যায়বহুল ও দামি জিনিস।সকলের পক্ষে ব্যাবহার করা সম্ভব নয় তবুও মানুষ হাল ছাড়ে না কারণ গাড়ির প্রতি মানুষের আলাদা ভালোবাসা রয়েছে।
So আপনি যদি উপরের উল্লেখিত কোন গাড়ি কিনতে চান তা হলে গাড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে ক্রায় করবেন।
