ট্রাভেলিং করা প্রতিটা মানুষের শখ। মানসিক সুস্থ থাকতে চাইলে এবং ভাল থাকতে হলে ট্রাভেলিং এর কোন বিকল্প নেই।ট্রাভেলিং শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ
একটা অংশ। দেশেও বিদেশে ট্রাভেলিং করে প্রাক্টিকালী অনেক জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব।বাংলাদেশে ট্রাভেলিং এর জন্য বিশ্ব বিখ্যাত স্থান রয়েছে।
যে যে স্থান গুলোতে বিদেশি পর্যটক বারবার বাংলাদেশে ট্রাভেল করতে আশে।
আজগে আমরা জানাবো বাংলাদেশে ট্রাভেল করার জন্য বিশেষ উপযুক্ত স্থানসমূহ।
বাংলাদেশে ভিতর ট্রাভেলিং করার বিশ্ব বিখ্যাত ও নাম করা স্থান।
-
কক্সবাজার—
বিশ্বের সবচেয়ে বড় (লংগেস্ট) (সি বীচ) সমুদ্র সৈকত হল কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ।
পৃথীবির একমাত্র দীর্ঘতম অবিচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত,যেটার ডিস্টেন্স ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত।
অতিথি পাখি, বিশ্ব বিখ্যাত সামুদ্রিক মাছ,ইলিশ মাছ সামুক- ঝিনুক,কচ্ছপ,পাহাড়ি সাপ,কাঁকড়া,পাথর,ময়ুরপঙ্খি নৌকা নানান সৌখিন জিনিস পত্র ইত্যাদি দেখা যায়।
একমাত্র ফিস এ্যাকুরিয়াম,প্যারাসেলিং, ওয়াটার বাইকিং, বিচ বাইকিং, কক্স কার্নিভাল সার্কাস শো, দরিয়া নগর ইকোপার্ক, কক্সবাজার উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নিমির্ত অসংখ্য স্থাপত্য, ফিউচার পার্ক, শিশুপার্ক এবং অসংখ্য ফোটোসুট স্পট।
এখানে উপভোগের জন্য রয়েছে নাইট বিচ কনসার্ট । নিরাপত্তা প্রদানকারী টুরিস্ট পুলিশ। সমুদ্র সৈকতকে লাইটিং এর মাধ্যমে আলোকিত করার ফলে এখানে রাতের বেলায় সমুদ্র উপভোগের সুযোগও রয়েছে।
বিভিন্ন মুভির সুটিং করা হয়। এখানে প্রতিদিন বিদেশি পর্যটক ভ্রমন করতে আশে। বছরে প্রায় ৮-১২ লক্ষ লোক কক্সবাজার ও সেইন্ট মার্টিন ভ্রমন করে।স্থল পথে সহজে যাতায়াত করতে পারেন।
ঐসমুদ্র পথেও যাতায়াতের ব্যাবস্থা আছে।কক্সবাজার থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে আধুনিক তিন তারকা ও পাঁচ তারকা হোটেল।
-
সুন্দরবন–
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বন হল ম্যানগ্রভ ফরেস্ট বা সুন্দরবন।এটি বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ,কুমির ও সাপ, কচ্ছপ, সুন্দি কাছিম, ধুম তরুণাস্থি কাছিম ,গিরগিটি ও গুই সাপ, অজগরসহ বিভিন্ন প্রজাতির হরিণ,
মহিষ ,জাভাদেশীয় গণ্ডার ও ভারতীয় গণ্ডার এবং স্বাদুপানির কুমিরের অসংখ্য প্রজাতির প্রাণীর আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত।
জরিপ অনুযায়ী ১০০-১১০ বাঘ ও ১০০০০০ থেকে ১৫০০০০ চিত্রা হরিণ রয়েছে বর্তমান সুন্দরবন এলাকায়।
বণ্য পশু পাখি এ ছাড়াও বনে সুন্দরীগাছ, গরান, কেওড়া,শাল শেগন, গোলপাতা,সমুদ্রিক চিংড়ি ইত্যাদি দেখতে পাওয়া যায়।
বনে ২৯০টি পাখি, ১২০টি মাছ, ৪২টি স্তন্যপায়ী, ৩৫টি সরীসৃপ এবং আটটি উভচর প্রজাতিসহ ৪৫৩টি বন্যপ্রাণীর বাসস্থান রয়েছে।
সর্বাধিক প্রচুর গাছের প্রজাতি হল সুন্দরী এবং গেওয়া।বিভিন্ন মুভির সুটিং করা হয়। বছরে প্রায় ৬-৮ লক্ষ লোক ভ্রমন করে।
শুধু সমুদ্র পথে সহজে যাতায়াত করতে পারেন।
-
কুয়াকাটা –
কুয়াকাটাকে বলা হয় (ডটার অব সি) অর্থাৎ (সমুদ্র কন্যা)।কুয়াকাটা প্রতিনিয়ত বিদেশি পর্যটক ভ্রমন করতে আশে।
সবচেয়ে কাছ থেকে সুন্দর ভাবে সূর্য ওঠার ও সূর্য অস্ত্র যাওয়ার (ভিউ) দৃশ্য দেখা যায়।
এছাড়াও সামুদ্রিক লাল কাঁকড় ও ঝিনুক বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও পাখি বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।
বছরে প্রায় ৪-৫ লক্ষ লোক কুয়াকাটা ভ্রমন করে।স্থল পথে সহজে যাতায়াত করতে পারেন।
সমুদ্র পথেও যাতায়াতের ব্যাবস্থা আছে। থাকা-খাওয়ার জন্য রয়েছে সস্তা হোটেল।
- দিকনির্দেশনা
কক্সবাজার,সুন্দর বন ও কুয়াকাটা এছাড়াও উল্লেখিত স্থানে প্রতি বছর দেশ-বিদেশের অসংখ্য পর্যটক ঘুরতে আসে।প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয় এবং প্রকৃতি থেকে বিভিন্ন জ্ঞান অর্জন করে।
অসাবধানতা আর অসচেতনতা কারণে বিভিন্ন সময় চুরি, ছিনতায়সহ বন্য প্রাণীর আক্রমনের শিকার ইত্যাদি অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটে। সচেতনতা থাকুন, ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব ও উৎপত্তির সঠিক ইতিহাস।
বিশ্বজগৎ উৎপত্তির সঠিক ব্যাখা এবং ইতিহাস।
