নোংরা রাজনীতি প্রভাব বিশ্ব ব্যাপি পরিলক্ষিত।বৈশ্বিক নোংরা রাজনৈতিক প্রভাব সভ্য দেশগুলোকে গ্রাস করছে।
সেই সাথে সভ্যদেশের সাধারণ মানুষদের নোংরা রাজনীতি গ্রাস করে নিচ্ছে।অতিতের সেই গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক চিন্তা ধারা এখন শৈরাতন্ত্রে রুপান্তরিত হয়েছে।
সাধারণ মানুষ যার কারণে রাজনীতি মত একটা সমাজ সেবা কাজকেই নোংরা নীতি বলতে বাধ্য হচ্ছে।
আধুনিক রাজনীতি কাঠামো নোংরামি জন্য তিব্র আলোচিত ও সমালোচিত এবং আধুনিক নেতার রাজনীতির নোংরামি যেন অপ্রতিরোদ্ধ ও লাগামহীন।
রাজনৈতিক নেতৃত্ববর্গের মতাদর্শ শৈরাতন্ত্রে রুপান্তরিত হওয়ায় রাষ্ট্রে সু-বিচার ব্যবস্থা- সুশাসন হ্রস পাচ্ছে।এর ফলে রাষ্ট্রে বাড়ছে অরাজকতা, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ।
নোংরা রাজনীতির ফলে সমাজ ও রাষ্ট্র অস্থিতিশীল হয়ে উঠতেছে। বিঘ্নিত হচ্ছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা,ভালবাসা ও বিশ্বাস কমে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রে সুশাসনের অভাবে কিছু কিছু নোংরা রাজনীতিবীদ রাক্ষসে পরিণত হচ্ছে। রাক্ষসী রাজনীতিবীদ তার ছদ্মবেশি ছায়াতলে অপরাধী গোষ্ঠীর জন্ম দিচ্ছে।
নোংরা নেতা সর্ব ক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতা ও পাওয়ার দেখিয়ে দুর্নীতি করছে, ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। রাক্ষসী নেতাবর্গ বিভিন্নভাবে জনসমাজকে হয়রানি করছে।
জনসমাজকে নির্যাতন করছে ,নিপীড়ন করছে , ভোগ করছে এবং সর্বশান্ত করে দিচ্ছে।
আমরা এমন নোংরা নেতার অসুস্থ রাজনীতির কাছ থেকে তরুণ প্রজন্ম কি শিখব,
কি শেখার আছে এই ধরনের অসুস্থ মতাদর্শের রাজনীতির কাছে।
আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কেইবা কি শিক্ষা দেব। আমার বয়সে আমি এ পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি যাই দেখেছি
তা হচ্ছে রাক্ষসী, নোংরামি, হিংসা-প্রতিহিংসা যার শিকার হচ্ছি আমার সাধারণ জনতা।
মানুষের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা,ভালবাসা ও বিশ্বাস,ঐক্য , ভ্রাতৃত্ব এটা মনে হয় মুখের বুলি ভেতরে চলে ভন্ডামি, নোংরামি, হিংসার গুটিচাল।
নেতার কর্মকৌশলের দ্বারা সমাজ ভালো কাজের পরিবর্তে নোংরা রাজনীতি কারণে আমরা আজ পরিস্থিতির শিকার ও ভিকটিম।
মূল ক্ষমতা ঘুরেফিরে জনতার হাতে আসে ।জনতা তার মনঃসত্ত্বকে টাকার কাছে বিক্রি না করে ক্ষমতা আপনাদের কাছেই সমর্পণ করে।কখনো ভালোমন্দের বিচার করে না। যাচাই বাছাই করে না।
হে নেতা রাজনীতির বাইরে এসে সাধারণ মানুষ হয়ে একটু ভাবুন চিন্তা করেন, দেখেন আপনারা যে নোংরামি করছেন তা কি ঠিক করছেন কি না?
কেন আপনাদের রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য শিকার আমরা সাধারণ জনগণ? আমাদের নিরাপত্তা কোথায়? কে দেবে আমাদের নিরাপত্তা!
এসব স্বার্থেনেশ্বী মনোভাব, ভণ্ডামি, নোংরামির রাজনীতি বাদ দিয়ে আমরা সাধারণ মানুষদের কথা ভেবে,
আমাদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে যাতে আমাদের সাধারণ মানুষের জানমালের কোনো প্রকার ক্ষয়ক্ষতি না হয় সেদিক বিবেচনা করে আপনারা আপনাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন।
সর্বদা আমরা আপনাদের শুভাকাঙ্ক্ষী । আমরা আপনাদের পক্ষে আছি, আমরা সাধারণ জনতা আছি বলেই আপনারা রাজনৈতিক নেতারা এতটা সম্মানিত।
