ডিপফেক টেকনোলজি রীতিমত বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। ডিপফেকস এটি ভয়ংকর একটি পোপাগান্ডা। ডিপফেক প্রযুক্তি তো সবার কাছে হট টপিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই ডিপফেক এর ব্যাবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে বভিষ্যতে ডিপফেক এর ফাদে পড়ে অর্থসম্পদ,মান সন্মান এবং জীবন পর্যন্ত শেষ হয়ে যেতে পারে। অবশ্য প্রযুক্তির ভালো দিকও রয়েছে।
চলুন ডিপফেক সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেই।
ডিপফেক টেকনোলজি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন (AI) কে কাজে লাগিয়ে বা ব্যাবহার করে ভুয়া অডিও, ভিডিও বা ছবি তৈরি করার একটি অত্যাধনিক সিস্টেম।
এই Deepfacks প্রযুক্তি (টেকনোলজি) ব্যবহার করে এমন এমন সব ভিডিও বা ছবি তৈরি করা সম্ভব যেখানে মানুষ এমন সব কথা বলছে বা এমন কাজ করছে যা তারা প্রকৃতপক্ষে কখনো বলে নি বা করে নি।
ডিপফেকস কাজ এতটাই নিখুত ভাবে করে যেটা দৃষ্টি গত দিক দিয়ে মিথ্যা প্রমান করা অসম্ভব।
অনেক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গবেষকগন এই প্রযুক্তি বানানোর পিছনে কাজ করেছে। একক কোন ব্যক্তি এটি তৈরি করেনি।
বর্তমানে এমন সব ডিপফেক প্রযুক্তি অনলাইনে পাওয়া যায় যা রীতিমত ভয়ংকর।
বিশ্লেষকগন এজন্যই ভয়ংকর বলেছে কারন সেগুলো দিয়ে আপনি বা যে কেউ ভয়ানক ক্রিমিনাল কাজ করে ফেলতে পারে।কারন এগুলো দিয়ে এমন সব অডিও, ভিডিও বা এনিমেশন ছবি বানানো যায় যা আসল নাকি নকল তা বোঝার কোন উপায় নেই।
বিশেষ করে র এর ভয়াবহ প্রভাব ইতোমধ্যে পড়া শুরু হয়েছে। যদিও ব্যক্তি জীবনও এর বাইরে নয়।
ডিপফেকস ভিডিও বা ছবি তৈরি করতে AI এর দুটি শাখা ব্যবহার করা হয়:
• মেশিন লার্নিং: সাধারণ এটি AI এর অন্যতম একটি শাখা। কম্পিউটারকে ডেটা থেকে শুরু করে সকল কিছু শেখানো হয়।ডিপফেক তৈরির ক্ষেত্রে এই মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে কম্পিউটারকে মানুষের মুখ, কণ্ঠস্বর এবং শরীরের ভাষা সম্পর্কে শেখানো হয়। মেশিন লার্নিং পদ্ধতিটি আসলে আরো ব্যাপক। অপরটি হলো
• ডিপ লার্নিং: এইটা মেশিন লার্নিং ব্যবস্থার একটি উন্নত রূপ বা (S.A.I)। যেখানে কম্পিউটারকে আরও বেশি পরিমানে জটিল ডেটা শেখানো হয়। DeepFacks তৈরির ক্ষেত্রে মূলত এই ডিপ লার্নিং ব্যবহার করেই কম্পিউটারকে আরও বাস্তবসম্মত ও গ্রহনযোগ্য ভুয়া ভিডিও তৈরি করতে শেখানো হয়।
যা দেখে আমাদের বোঝার উপায় থাকে না যে ভিডিওটি বা ছবিটি আসল নাকি নকল।
DeepFack এর ভয়ংকর ভয়াবহতা কি?
1★• মান হানি ও জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়ে পড়ে।
2★• পারিবারিক কলহ ও আস্থাহীনতা তৈরি হয়।
3★• সামাজিক সম্পর্ক হ্রাস পায়।
4★• পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা হীনতা।
5★• ক্ষতিকর অবস্থা সৃষ্টি ও নিরাপত্তাহীনতা।
6★• আদর্শ ও নৈতিকতা অবক্ষয় ঘটে।
7★• আত্মহত্যার প্রবনতা তৈরী হয়।
এছাড়াও আরো নানা ধরণের অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়।
প্রশ্ন জিজ্ঞেসা :
ডিপফেক অ্যাপস কি অবৈধ?
মোটেই না। এমন কোন আইন নেই যা সরাসরি Deepfack ব্যাবহারকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে । হ্যা, যতক্ষণ আপনি ডিপফেকে অপব্যবহার করছেন না ততক্ষণ আপনি কোনও সমস্যায় পড়বেন না।
বিনামূল্যের কোন Deepfack অ্যাপ্লিকেশন আছে কি?
হ্যাঁ, অনেক ডিপফেক অ্যাপ আছে যেগুলো আপনি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করতে পারেন।
Reface, Wombo, FaceApp সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রি ডিপফেক অ্যাপ্লিকেশন।
★★★দিকনির্দেশনা ★★★
ডিপফেক প্রযুক্তি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার যার ইতিবাচক ও নেতিবাচক, ভালো এবং খারাপ উভয় কাজের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে।
এই প্রযুক্তির সম্ভাব্য অসুবিধা এবং ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন থাকি গুরুত্বপূর্ণ। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন ধন্যবাদ।
Open AI Chat GPT-3//AI Chatbot.
বিশ্বজগৎ উৎপত্তির সঠিক ব্যাখা এবং ইতিহাস।
