ডিভোর্স বর্তমানে সময়ে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
গবেষকগন ডিভোর্সকে সামাজিক ব্যাধি হিসাবে এবং একটি মৌলিক সমস্যা হিসাবে আখ্যায়িত করছেন।
ধনী, মধ্যবিত্ত ও গরিব সকল পরিবারের মধ্য তালাক/ডিভোর্সের হার প্রচন্ড আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে।ডিভোর্সের কারনে সমাজের চিত্র পাল্টে যাচ্ছে।

ডিভোর্সের কারণ সম্পর্কে কেউ কেউ দেখছে ধর্মীয় শিক্ষার অভাব, পারিবারিক শিক্ষার অভাবে, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা এবং যৌন চাহিদা ইত্যাদি।
আজকে এই কনটেন্টর মাধ্যমে জানাবো ডিভোর্সের কারণ সম্পর্কে।
চলুন কথা না বাড়িয়ে শুরু করি ডিভোর্সের মৌলিক কারনসমূহ সম্পর্কে।
ডিভোর্সের মৌলিক কারণ হলো ৮ টি যথা:
-
ধর্মীয় শিক্ষার অভাব,
-
পারিবারিক শিক্ষার অভাবে
-
অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা
-
বিশ্বাসের অভাব
-
লোভ ও শারিরীক নির্যাতন
-
কূপরামর্শ
-
ইন্টারনেট অপব্যবহার এবং
-
যৌন চাহিদা ইত্যাদি
ডিভোর্সের মৌলিক কারণ ক্রমানুসারে আলোচনা করা হলো।
ধর্মীয় শিক্ষার অভাব:
ধর্মীয় কৃষ্টি কালচার নিয়ম কানুন অনুসরণ না করা।
ধর্মীয় শিক্ষার অভাবের কারণে স্বামী-স্ত্রী একে অপরের দায়িত্ব ও কর্তব্য বুঝতে অক্ষম।
পারিবারিক শিক্ষার অভাবে:
স্বামী-স্ত্রী একে অপরের দায়িত্ব ও কর্তব্য বুঝতে অক্ষম।
নতুন পরিবারে প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হওয়া।
অহংকার দেখানো, জেদ ধরা ইত্যাদি।
অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা:
উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে বিভিন্ন স্থানে চাকুরী করে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জন করে।
স্বামী-স্ত্রী উভয় উভয়কে অসম্মান করা। হীন নজরে দেখা।

বিশ্বাসের অভাব:
স্বামী-স্ত্রী ছোট্ট খাটো বিষয় নিয়ে সন্দেহ করা। সন্দেহের খাতিরে সঠিক কে ভুল মনে করা। একে অপরকে দৃঢ় বিশ্বাস না করা।
লোভ ও শারিরীক নির্যাতন:
লোভের করণে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ অর্থ, সম্পদ, টাকা পয়শা চুরি, ডাকাতি, ছিনতায় এর মত ঘটনা ঘটে।

এক পর্যায় অপরাধ সাবস্ত হলে মারা-মারি-ধরাধরি, খুনের মত জঘণ্য ঘটনা ঘটে। শেষ পর্যায় বিচ্ছেদের মত সিদ্ধান্ত নিয়েছে হয়।
কূপরামর্শ:
বর্তমান সময়ে বিভিন্ন লোক বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সমাজের কেউ কেউ এমন ধরনের বাজে পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
যেটা আপাতত দৃষ্টিতে ভাল মনে হলেও এটা কূপরামর্শ।যেটার ভবিষ্যৎ ফলাফল খুবই ভয়াবহ। এক পর্যায় কোন উপায় না পেয়ে সংসার ত্যাগ করতে হয়।
ইন্টারনেট অপব্যবহার :
আমরা সকলে অবগত ইন্টারনেটে ভাল খারাপ দুটো দিক রয়েছে।প্রকৃত অর্থে আমাদের নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আগ্রহ বেশি।
এক পর্যায় অর্শিলতা আমাদের গ্রাস করে ফেলে। তখন ভাল জিনিস ভালো লাগে না। ঐঅবস্থা থেকে বেরতে পরি না। তখনি ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেই।
যৌন চাহিদা ইত্যাদি:
শিশু থেকে বৃদ্ধা সকলের যৌন চাহিদা রয়েছে। যৌন চাহিদা পুরনের লক্ষ্যে বিভিন্ন পাটনার খোঁজে। এক পর্যায় পরকিয়া ও শারিরীক সম্পর্কে জড়িয়ে পরে।
নিজের বৌ ভালো লাগে না, পরের বৌ ভালো লাগে। সংসারে সুখ থাকেনা। পরিশেষে ছেলে মেয়ে রেখে পরকিয়ার টানে চলে যেতে হয়।
উপরে উল্লেখিত বিষয় ছাড়াও আরো অনেক কারণে ডিভোর্স হয়ে থাকে যেমন: যৌতুক, বাল্য বিবাহ, নিসন্তান ইত্যাদি।
আমাদের সকলের উচিৎ উপরে উল্লেখিত কারণ সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। ভালো
