বিশ্বজগৎ উৎপত্তির সঠিক ব্যাখা এবং ইতিহাস।

বিশ্বজগৎ সর্ব প্রথম একটি একত্রিত ক্ষুদ্র সুপ্ত পরমাণু পিন্ড ছিল।ক্ষুদ্র সুপ্ত পরমাণু পিন্ড অলৌকিক ভাবে ব্লাস্ট হয়।

সুপ্ত পরমাণু ব্লাস্ট হয়ে তড়িৎ শক্তিশালী পরমাণু তৈরী হয় যা বিশ্বজগৎ/বিশ্বভ্রমন্ডে সারাজীবন থাকবে।

আজগে বিশ্বজগৎ উৎপত্তির সঠিক ব্যাখা ও ধারা বাহিকতা।

বিশ্বজগৎ একদম সুক্ষ্ম নজর রাখতে হবে। পরমাণু
পরমাণুর প্রাথমিক অবস্থা

এই পরমাণুগুলোর শক্তি এতটাই পুরো বিশ্ব বিশ্বজগৎ এই শক্তির উপর নির্ভরশীল। একমাত্র শক্তির উৎস।

বিশ্বভ্রমন্ডের সূচনা হাইড্রোজেন মাধ্যমেই হয়েছে।
হাইড্রোজেন ও ধুলিকণার তাপমাত্রা যখন পনের-ষোলো (লাক্ষ সেল্শিয়াস)  তাপমাত্রা

গ্রাভিটির নিয়ন্ত্রণে বাইরে চলে গিয়ে দ্বিতীয় বার হাইড্রোজেন বিস্ফোরণ হয়।

হাইড্রোজেন বিস্ফোরণের ফলে হাইড্রোজেন কণা অনিয়ন্ত্রিত গতিতে ছোটা ছুটি করে।হাইড্রোজেন কণাগুলো নিজেদের মধ্য সংঘর্ষের ফলে তৈরি হয় নতুন ধাতু হিলিয়াম।

বিশ্বজগৎ উৎপত্তির সঠিক ব্যাখা এবং ইতিহাস।
উপগ্রহ ও নক্ষত্র

হিলিয়াম ধাতু থেকে শক্তি বহুত দ্রুত গতিতে বের হয়ে লক্ষ কোটি নক্ষত্রের জন্ম হয়।

এই আন্ধকার বিশ্বভ্রমন্ডকে লক্ষ কোটি নক্ষত্র আলো দিতেশুরু করে।

কোটি নক্ষত্র থাকলেও বিশ্বভ্রমন্ডে একটাও গ্রহ ছিলনা।ভুমি বানাতে ও মানুষের অস্তিত্ব তৈরি করতে বিশ্বভ্রমন্ডের কাছে শুধুমাত্র হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস ছিল।

নক্ষত্রগুলো ছিল ধাতু বানানোর ফ্যাক্টেরি। হাইড্রোজেন হিলিয়াম ধাতু থেকে লিথিয়াম এবং হিলিয়াম ও লিথিয়াম ধাতু একত্রে মিলে ছাব্বিশ এর বেশি ধাতু

(কার্বন,অক্সিজেন,নাইট্রোজেন,আইরন ইত্যাদি) তৈরি করে যা জীবন ধারনের জন্য একান্তই প্রয়োজন ছিল।
এর পরেও আরো অনেক ধাতু প্রয়োজন ছিল কিন্তু নক্ষত্রগুলোর ধাতু তৈরি করার মত যোগ্যতা ছিল না

তাই আবারো বিস্ফোরণ হয়।

বিশ্বজগৎ সৃষ্টির সঠিক ব্যাখা।
সুপার নোভা বিস্ফোরণ!

এই বিস্ফোরণকে সুপার নোভা বলে। বিস্ফোরণে দুইভাগ নক্ষত্র ধ্বংস হয়ে যায়।কিন্তু নক্ষত্র ধ্বংসাবশেষ থেকে তৈরি হয় নতুন নতুন আরো কিছু ধাতু

যেমনইউরেনিয়াম,সোনা,তামা,ব্রোন্জ ইত্যাদি।

নক্ষত্রগুলোর ধ্বংসাবশেষর লাভা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজগৎ। সকল জায়গায় লাভার অস্তিত্ব তৈরি হয় এবং স্থান দখল করে।

পুনরায় গ্রাভিটি কাজ শুরু করে দেয়।গ্রাভিটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে,হাল্কা পদার্থ উপরে আর ভারি পদার্থ কেন্দ্রের তলানিতে,লাভাকে কঠিন স্তরে তৈরি করে।

তলানিতে লৌহা ও নিকেল ঘুর্ণনে ম্যাগনেটিক ফিল্ড তৈরি শুরু করে গভিরে যায়।

ম্যাগনেটিক ফিল্ড আচ্ছাদন (প্রটেক্টর) তৈরী করে যা আমাদের গ্রহকে সূর্যের ক্ষতিকারক ধাতু থেকে রক্ষা করে থাকে।

উক্ত ম্যাগনেটিক ফিল্ড জীবের অস্তিত্ব বিকাশে সাহায্যে করে।আবিষ্কার হয় পৃথিবী ও মঙ্গল গ্রহের।

প্রায় সাড়ে চারশো কোটি বছর পর মঙ্গল গ্রহ বরাবর চল্লিশ হাজার কিলোমিটার (Hz) গতিতে প্লেট পৃথিবীতে আঘাত করে বিধ্বংস হয়।

জন্ম হয় উপগ্রহের।এর প্রায় দশ কোটি হাজার বছর পর অর্থৎ চারশো চল্লিশ কোটি বছর পৃথিবী এত্ত উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করে যেখানে তরল পানি থাকতেই পারে না।

কিন্তু ম্যাগনেটিক ফিল্ডে আচ্ছাদনে আসমানে বায়ুমন্ডলে পানির ভাব থাকে।পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্বে প্রয়োজন আসমানে পানি পৃথিবীপৃষ্ঠে পতিত হওয়া।

তখনো পৃথিবী ছিল উত্তপ্ত।

উপগ্রহ(চাঁদ)গ্রাভিটির কারণে পৃথিবীর ঘুর্ণন গতি কম হতে শুরু করে। সময় ৬ ঘন্টার পরিবর্তে ২৪ ঘন্টায় হতে শুরু করে।

এর প্রায় কিছু লক্ষ বছর পর গ্রাভিটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে পৃথিবী ঠান্ডা হতে লাগে এবং বৃষ্টি হতে শুরু করে।

সুপার কৃতি মহাবিশ্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।
গ্রাভিটি কাজ।

বৃষ্টির ফলে সাগর ও মহাসাগরের জন্ম হয়। আমাদের গ্রহের কাছে একটি উপগ্রহ একটি সাগর থাকে কিন্তু বর্তমানে আমরা যেমন অবস্থায় দেখি তেমন অবস্থা ছিল না।

তিনশত আশি কোটি বছর পূর্বে জীবের উৎপত্তি সূচনা শুরু হয় মহাসাগরের তলে।

বিস্ফোরণে ছয়টা অতি প্রয়োজনীয় ধাতু হাইড্রোজেন, নক্ষত্র থেকে অক্সিজেন, কার্বন ও নাইট্রোজেন একত্রে মিলে জীবের অস্তিত্ব রচনা শুরু হয়।

পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব ও উৎপত্তির সঠিক ইতিহাস…..পাঠ-2 পড়ন।

Open AI-Chat GPT কি ও এর উৎপত্তি

Ali
Name: Ali AzGor Sheikh

Related Posts

ডিপফেক সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

ডিপফেক সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

ডিপফেক টেকনোলজি রীতিমত বিশ্বকে চমকে দিয়েছে। ডিপফেকস এটি ভয়ংকর একটি পোপাগান্ডা। ডিপফেক প্রযুক্তি তো সবার কাছে হট টপিক হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাই ডিপফেক এর ব্যাবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।…

বিশ্বে বিভিন্ন দেশের নাম, রাজধানীর নাম ও টাকার নাম এবং টাকার মান সম্পর্কে বিস্তারিত

বিশ্বে বিভিন্ন দেশের নাম, রাজধানীর নাম ও টাকার নাম এবং টাকার মান সম্পর্কে বিস্তারিত

বিশ্বে মুদ্রার প্রচলন সকল স্বাধীন দেশে রয়েছে এবং সকল দেশে মুদ্রা বা টাকার মান ও নাম দুটো ভিন্ন ভিন্ন হয়। but কিন্তু দেশ পরিচালনায় মুদ্রার ব্যাবহার অপরিহার্য।…

স্যামস্যাং S24 Ultra নতুন  ফোন।

স্যামস্যাং S24 Ultra নতুন ফোন।

স্যামস্যাং S24 Ultra নতুন মডেলের  স্মার্ট ফোন।বিশ্বের সফল স্মার্ট ফোনের নির্মাতা কোম্পানির নাম স্যামস্যাং ।একচটে জনপ্রিয়তার শীর্ষেস্থানে রয়েছে স্যামস্যাং। নতুন মডেলের স্যামস্যাং স্মার্টফোনে ব্যাবহার করা হয়েছে আধুনিক…

পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব ও উৎপত্তির সঠিক ইতিহাস।

পৃথিবীতে জীবের অস্তিত্ব ও উৎপত্তির সঠিক ইতিহাস।

 জীবের অস্তিত্ব রচনা করার জন্য সবচেয়ে সুন্দরতম কার্যকারী ছিল DNA। ডি.এন.এর ভিতরই মজুদ আছে জীবের গঠন কোড। আমাদের পৃথিবী তৈরী হওয়া মাত্র সাত লক্ষ সাল পূর্বে পৃথিবীপর…

মৌমাছি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।

মৌমাছি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।

মৌমাছি সম্পর্কে বিস্তারিত মৌমাছি  (ইংরাজী: Bee) মধু সংগ্রহকারী পতঙ্গবিশেষ। মৌমাছি মধু উৎপাদন ও মোম উৎপাদন এবং ফুলের প্রকৃত পরাগায়ণের জন্য শ্রােষ্ট। বিজ্ঞানিদের রিসার্চ অনুসারে এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে ৯টি স্বীকৃত গোত্রের অধীনে প্রায় ২০-২১ হাজার মৌমাছি প্রজাতি আছে। সংখ্যা আনুমানিক প্রকৃত…

Open AI-Chat GPT

Open AI-Chat GPT

Chat GPT মানুষের ব্রেন সৃজনশীল। মানুষের এই বুদ্ধিমত্তা যখন কোন ক্রিয়ায় প্রয়োগ করে,  শুরু হয় কৃত্রিম বিপ্লবের সূচনা । ১৯৫০সালে সর্ব প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence ) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *