বিশ্বের একমাত্র সফল স্মার্ট ফোনের নাম আইফোন (iPhone)।যুগ যুগ ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষেস্থানে রয়েছে আইফোন।আইফোনের রয়েছে নজর কাড়া সৌন্দর্য, আছে অনন্য ডিজাইন,কালারস,শক্তিশালি বায়োনিক চিপ, ক্যামেরা ও স্ট্রোরেজ।

এছাড়াও রয়ছে বিভিন্ন সেন্সর,প্রোটেক্টর ও সিকিউরিটি ব্যাবস্থা। একমাত্র আইফোন ক্রেতার চাহিদা মেটাতে সক্ষম।
চলুন জেনে নেই আইফোন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা।

বিশ্ব বাজারে সবচেয়ে পরিচিত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের নাম অ্যাপেল (Apple)।
একমাত্র অ্যাপেল কোম্পানি তৈরি করে আইফোন (iPhone)।
স্টিভ জভস ২০০৭ সালে আইফোন বাজারে আনেন।২০০৭সাল থেকেই প্রতি বছর নতুন মডেলের আপডেট আইফোন বাজারে আসে।
অ্যাপল কোম্পানি আইফোন বছরে মাত্র কয়েকটি বাজারে ছাড়লেও বিক্রির দিক বিবেচনা করলে সংখ্যাটি প্রতি বছরেই বেড়ে চলছে।আইফোন ২০১৯ ও২০২০ সালে যথাক্রমে (১৮৭.২ ১৯৬.৯)মিলিয়ন উইনিট আইফোন বিক্রি করে অ্যাপল
আইফোনের ডিজাইন,কালার,স্ট্রোরেজ,সিকিউরিটি বিচার বিশ্লেষণ করে তৈরী করা হয়।
তাই শুরু থেকে এখনপর্যন্ত আইফোন জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছে।
-
আইফোনের ডিজাইন(Design)!
নতুন আইফোন মানেই নতুন চমক। আইফোন গ্রাহকের চাহিদা অনুসারে দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন করে থাকে। আইফোনের পিছনে লোগো ডিজাইন করা হয়ে থাকে।
-
আইফোনের কালার!
আইফোনের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো কালারস । আমরা বাজারে আইফোনের বিভিন্ন কালার দেখতে পাই।

পিঙ্ক কালারস , ব্লু কালারস, রেড কালারস স্পেস গ্রে ও গোল্ড কালারস।আপনার পছন্দ মত কালারস বেছে নিতে পারবেন। কালারসের কারণে দাম কম বেশি হয়ে থাকে।
. আইফোনের চিপ ও স্ট্রোরেজ!
আইফোনের নিজস্ব শক্তি শালি বায়োনিক চিপ রয়েছে। চিপ এর ফলে দ্রুতগতিতে কাজ করে এবং বিদ্যুৎসাশ্রয় নিশ্চিত করে।
প্রতিটা ফোনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো স্ট্রোরেজ। স্ট্রোরেজ মানে ক্ষমতা। আইফোন কোম্পানি বাজারের সাথে তাল মিলিয়ে স্ট্রোরেজ দিয়ে থাকে।
-
আইফোনের ক্যামেরা
আইফোনের ক্যামেরা তুলনামূলক অন্যান্য প্রায় সব স্মার্টফোনের ক্যামেরা থেকে আলাদা।
আইফোনের ক্যামেরার কালারস কালেকশন সকল কিছু ছিল তুলনামূলক অন্য স্মার্টফোনের থেকে অনেক উন্নত।
আইফোনে বর্তমান ৩ টি ক্যামেরা ব্যাবহার করা হয়। বর্তমানে আইফোনের ক্যামেরার সাহায্য নিখুত ছবি পাওয়া যায়।

-
সাইজ ও ডিসপ্লে
আইফোনের ২টি Size পাওয়া যায়। আইফোনে ছোট (mine) সাইজ ও আইফোনে লিগাল সাইজ। বর্তমানে আইফোনের ডিসপ্লে ৬.১ ইঞ্চি করা হয়ছে।
-
আইফোন প্রোটেক্টর!
আইফোনে রয়েছে প্রোটেক্টর ক্ষমতা। সাধারণত Iphone ধুলাবালি, ওয়াটার প্রুভড। স্ক্রেস থেকে রক্ষার জন্য সামনে পিছনে গ্লাস প্রোটেক্টর ব্যাবহার করা হয়েছে।
-
আইফোনে সিকিউরিটি!
আইফোনে রয়েছে নিজস্ব শক্তি শালি সিকিউরিটি প্রোভাইড করার ক্ষমতা । প্রফেশনাল হ্যাকাররা চাইলেও তথ্য হ্যাক করতে পারে না। ভাইরাসের বিরুদ্ধ রয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আইফোনের ব্যাটারি!
আইফোনে দীর্ঘ স্থায়ী চার্জ ধারন ক্ষমতাসম্পূর্ণ ব্যাটারী ব্যাবহার করা হয়।
সাধারণত ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার mAh ক্ষমতাসম্পূর্ণ ব্যাটারী ব্যাবহার করা হয়।আনুমানিক ১০ থেকে ১২ঘন্টা একনাগাড়ে চালে।
চার্জার: আইফোনের চার্জার কারেন্ট পাসিং ক্যাপাবিলিটি অসাধারণ। ৬০থেকে৭০মিনিটে ফুল চার্জ দিতে সক্ষম।
বর্তমান চার্জারের ধরণ টাইপ সি।চার্জার নষ্ট হওয়া কোনো ভয় নাই।
মূল্য: (Price)

বর্তমান বাজারের সবচেয়ে দামি ফোন হলো আইফোন। বাঙলাদেশি টাকার ১লক্ষ ৫০হাজার এর মধ্যে হবে।
আইফোনের মূল্য নিয়ে তেমন মাথা ঘামাবেন না।
কারণ মূল্য নিয়ে কেউ মাথা ঘামালে সে আপডেট নতুন Iphone ব্যাবহার করতে পারবে না।
নির্দেশনা :
আপনি আইফোনের নতুন মডেল কিনবেন।
অ্যাপেল প্রতি বছর আইফোনের নতুন নতুন মডেল বাজারে আনে।
প্রতি বার নতুন মডেল, নতুন ফিচার, নতুন সুযোগ -সুবিধা, হাই ক্যোলিটি সিকিউরিটি ব্যাবস্থা থাকে।
সুযোগ -সুবিধা নিরাপত্তা ব্যবস্থা উপভোগ করার জন্য আইফোনের আপডেট ফোন কেনা উচিৎ।
