ফরজ মানে অবশ্য পালনীয়। so ফরজ নামাজ অবশ্যই পড়তেই হবে। ফরজ নামাজ না পড়লে আল্লাহর হুকুম /আদেশ অমান্য করা হলো। আল্লাহর আদেশ অমান্য করাই বড় ধরনের গুনাহ লেখা হবে। ফরজ নামাজ আবার দুধরনের।
১. ফরজে আইন।
যে নামাজ প্রত্যেকে মুসলিম নরনারী উপর আলাদাভাবে ফরজ। ফরজে আইনের অন্তর্ভুক্ত নামাজগুলো কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়েছে – ১ ফজরের নামাজ ২ জোহরের নামাজ ৩ আসরের নামাজ ৪ মাগরিবের নামাজ ৫ এশার নামাজ ও জুমার নামাজ।
২.ফরজে কিফায়া।
যে নামাজ আদায় করা প্রত্যেকে মুসলিম নরনারী উপর আলাদাভাবে ফরজ নয়। for example জানাজার নামাজ।
আজগে আমরা ৪ রাকাত ফরজ নামাজ পড়ার নিয়ম জানবো।
কেবলামুখী হওয়া ও তাকবীরে তাহরিমা অর্থৎ- নামাজ আদায়ে ইচ্ছুক ব্যক্তি than কেবলামুখী হয়ে দাঁড়াবে। অন্তরে স্পষ্ট নামাজের নিয়ত করবে। দু হাত কাঁধ বরাবর অথবা কান বরাবর উঠাবে ও তাকবীরে তাহরিমা অর্থৎ , «”আল্লাহু আকবার” »বলবে।
হাত বাঁধবে।
Than ডান হাত দিয়ে বাম হাতের কব্জিতে ধরবে অথবা ডান হাত বাম হাতের ওপর রাখবে, হোক তা নাভির নিচে অথবা বুকের ওপরে।
ছানা পাঠ করবে।
সঠিক ও সহীহ ভাবে ছানা পাঠ করবে। নিজ মাথা নিচু করবে এবং সিজদার জায়গার প্রতি তাকিয়ে থাকবে।
for instance সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত।
আউজুবিল্লাহি মিনাছ শায়তনীর রজিম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম বলে than
সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবে। last শেষ “আমিন” বলবে।
সূরা ফাতিহার পর অন্য একটি সূরা অথবা মুসল্লীর পক্ষে কুরআন থেকে যা সহজ তাই তিলাওয়াত করবে।
রুকু করা
এরপর তাকবীর দিয়ে রুকুতে যাবে। দুই হাঁটুর ওপর দু হাতের আঙ্গুলগুলো প্রশস্ত করে এমনভাবে রাখবে, মনে হবে যেন সে তা ধরে আছে। মাথা ও পিঠ সমান্তরাল রাখবে।
রুকুর তাজবি পাঠ।
সুবহানা রব্বী আল আজীম [৩বার]
রুকু থেকে উঠা।
রুকু থেকে ওঠে বলবে
সামি আল্লাহ হুলিমান হামীদা।
সিজদা ও সিজদা থেকে উঠা
– মুসল্লী তাকবীর দিয়ে সিজদায় যাবে। সিজদায় যাওয়ার সময় দুই হাঁটু প্রথমে রাখবে, এরপর হাত, এরপর কপাল ও নাক। দুই হাত কান বরাবর অথবা কাঁধ বরাবর কেবলামুখী করে বিছিয়ে দেবে।
সিজদার তাজবি পাঠ।
সিজদার তাজবী সুবহানা রব্বী আল আলা [৩ বার]
এরপর তাকবীর দিয়ে মাথা উঠাবে। দাঁড়ানোর পূর্বে স্থির হয়ে মূহুর্তকাল বসবে।
এরপর তাকবীর দিয়ে প্রথম সিজদার মতোই দ্বিতীয় সিজদা করবে। in fact ইতিমধ্যে প্রথম রাকাত শেষ হল।
২য় রাকাত শুরুঃ
এরপর আবার মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাতের মতোই ( সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবে। last শেষ “আমিন” বলবে। সূরা ফাতিহার পর অন্য একটি সূরা পাঠ করবে,রুকু করবে
রুকুর তাজবি পাঠ করবে সিজদা ও সিজদা তাজবী পাঠ করবে। দ্বিতীয় রাকাত আদায় করবে। in fact তবে প্রথম রাকাতের মতো প্রারম্ভিক দুআ তথা ছানা পড়বে না।
দুরুদ পাঠ।
প্রথম দু রাকাত পড়া শেষ হলে দুরুদ ইব্রাহিম জন্য মুসল্লী বসবে। than বাম পা বিছিয়ে ডান পা দাঁড় করিয়ে রেখে বসবে। দুরুদ ইব্রাহিম পাঠ করবে। ইতিমধ্যে দ্বিতীয় রাকাত শেষ হল।
৩য় রাকাত শুরুঃ
মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে ৩য় রাকাতে শুধু সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবে। last শেষ “আমিন” বলবে।
রুকু করবে।
রুকুর তাজবি পাঠ করবে।
সিজদা ও সিজদা তাজবী পাঠ করবে। আবার for instance মাথা উচু করে দাঁড়িয়ে পড়তে হবে।
৪র্থ রাকাত শুরুঃ
হুবহু ৩য় রাকাতে মত সুরা ফাতিহা তিলাওয়াত করবে। lest শেষ “আমিন” বলবে।
রুকু করবে।
রুকুর তাজবি পাঠ করবে।
সিজদা ও সিজদা তাজবী পাঠ করবে।
আত্তাহিয়াতু, দুরুদ শরিফ, দোয়ায়ে মাসুরা পাঠ।
প্রথমে বাম পা বিছিয়ে ডান পা দাঁড় করিয়ে রেখে বসবে। তারপর এক এক করে আত্তাহিয়াতু , দুরুদ শরিফ, দোয়ায়ে মাসুরা মুসল্লী পাঠ করবে। পাঠ last শেষে সালাম।
সালাম
নামাজরত মুসল্লী তার ডানে ও বামে (আসসালামু আলাইকুম, ওয়া আলাইকুম আস সালাম ) বলে সালাম ফিরিয়ে নামাজনামাজ শেষ করবে। মোনাজাত শেষ করেই বের হবে।
